একইভাবে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, Nova সঙ্গীত উৎসব-এ ঘটে আরেক ভয়াবহ অধ্যায়। ২২ বছর বয়সী জার্মান-ইসরায়েলি তরুণী শানি নিকোল লুক, যিনি একজন ট্যাটু শিল্পী ও প্রভাবশালী, হামাসের নৃশংস হামলায় নিহত হন। হামলার পর তার মরদেহ গাজা শহরের রাস্তায় পিকআপ ট্রাকের পেছনে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়, যা পরে বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এটি ছিল উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে মানবতার এক নির্মম সতর্কবার্তা।
এইসব ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়— ধর্মীয় চরমপন্থা ও রাজনৈতিক ইসলামের নামে যে বর্বরতা চালানো হয়, তার শিকার হয় সাধারণ মানুষ, বিশেষত নারী। ইরানে, আফগানিস্তানে, এমনকি অন্যান্য মুসলিম দেশেও ধর্মের ব্যাখ্যার নামে নারীদের উপর যে দমননীতি চালু হয়েছে, তা মানবতার পরিপন্থী।
সবচেয়ে বেদনাদায়ক বিষয় হলো, আজও কিছু মানুষ— এমনকি আমাদের বাংলাদেশেও— খোমেনি ও খামেনির মতো একনায়কদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে, মিছিল করছে, জানাজা পড়ছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নেতৃত্ব দিয়েছেন ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম, যিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির-এর সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যায়।
একই সময়ে, মাহসা আমিনির মতো নারীদের হত্যার প্রতিবাদে কেউ মিছিল করে না, কেউ জানাজা পড়ে না। এ যেন সত্য ও মানবতার চরম পরিহাস।
আজ সময় এসেছে, মুসলিম বিশ্বকে নতুন করে ভাবার — ধর্ম নয়, মানবতা হোক আমাদের একমাত্র পরিচয়। আয়াতুল্লাহ খোমেনির শাসন যদি আমাদের কিছু শেখায়, তবে তা হলো: স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার ধর্মীয় জুলুমের ছায়ায় টিকে থাকতে পারে না।

1 Comments
এই খাংকির বাচ্চা তর ইসলাম নিয়া এত চুলকানি কেন
ReplyDelete